header_01
 বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১০
জেলা প্রশাসন
left_menu_pic
Joomla Slide Menu by DART Creations
left_menu_footer
উল্লেখযোগ্য সভা

 

 

লক্ষ্মীপুর জেলার মে/২০১০ মাসের জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভার কার্যবিবরণী

সভাপতি জনাব আবুল বাশার মোঃ জহুরুল ইসলাম , জেলা প্রশাসক, লক্ষ্মীপুর।

সভার তারিখ ও সময় ১০.০৫.২০১০ সকাল ১০.৩০ ঘটিকা।

সভার স্থান জেলা প্রশাসক, লক্ষ্মীপুর এঁর সম্মেলন কক্ষ।

সভায় উপস্থিত সদস্যবৃন্দ, পরিশিষ্ট ‘‘ক’’ ( স্বাক্ষরের ক্রমানুসারে ) ।

সভাপতি সভার শুরুতে উপস্থিত সকলকে স্বাগত জানিয়ে সভার কাজ শুরু করেন। সভার প্রারম্ভে এ জেলায় বিভিন্ন দপ্তর/অধিদপ্তরে কর্মরত কর্মকর্তাগণ নিজেদের পরিচয় প্রদান করেন।

অতঃপর গত সভার কার্যবিবরণী পাঠ করে শুনানো হলে কোন আপত্তি না থাকায় তা সর্বসম্মতিক্রমে দৃঢ়ীকরণ করা হয়। সভাপতি জেলার উন্নয়নে সকল বিভাগের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কাজ করার জন্য সংশি­ষ্ট সকলকে অনুরোধ জানান । তাঁরা নিজ নিজ বিভাগের কার্যক্রমের অগ্রগতির প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

অতঃপর বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি আলোচনা এবং পর্যালোচনাক্রমে সভায় নিম্নরূপ সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়।

ক্রঃনং

আলোচ্যসূচি

আলোচনা

সিদ্ধান্ত

বাস্তবায়ন

০১

জেলা পরিষদ

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা,জেলা পরিষদ,লক্ষীপুর বলেন, মোট ১৪৮ টি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে, এর মধ্যে ৩৮ টি প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে। ১ টি প্রকল্প মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। সকল প্রকল্পের কাজ চলমান আছে। জুন/১০ এর মধ্যে সকল প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।

সব প্রকল্পের কাজ নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করার জন্য সভাপতি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে অনুরোধ করেন।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, লক্ষ্মীপুর

০২

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর

সভাপতি উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর লক্ষ্মীপুরকে কৃষি সম্পর্কিত তথ্য উপস্থাপন করার জন্য অনুরোধ করেন। উপ-পরিচালক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর লক্ষ্মীপুর বলেন, কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বিতরণ শেষ হয়েছে। লেদা পেকার আক্রমন করার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।বতমানে পোকা মাঠে নাই। সয়াবিন কর্তন শুরু হয়েছে। বোরো, চিনা বাদাম এর ফলন ভাল হয়েছে। রাসায়নিক সারর পর্যাপ্ত মওজুদ আছে। কৃষি প্রদর্শনী করা হয়েছে। ধান, পাট চাষের জন্য বীজ দেয়া হয়েছে। সয়াবিনের জন্য একটা প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে। কৃষি কাজের জন্য কৃষকদের প্রশি্ক্ষন দেয়া হয়। কৃষি সম্প্রসারণ কম্পোনেন্ট এর আওতায় ২২ টি আইসিএম কৃষক মাঠ স্কুল স্থাপন করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রামগতি মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন উৎসাহিত করার জন্য আহবান জানান। তিনি বলেন এ জাতীয় ফসল চাষ করার জন্য জমি আছে প্রচুর। এ জাতীয় ফসল চাষের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ২% সুদে ঋন দেয়ার বিধান আছে। এ ব্যাপারে কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য সভা করা প্রয়োজন।

সভাপতি মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করার নিমিত্তে ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে সভা করার জন্য উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লক্ষ্মীপুর কে অনুরোধ করেন।

উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লক্ষ্মীপুর

 

০৩

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর

সভাপতি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, লক্ষ্মীপুরকে বাজারে ও এম এস এর প্রভাব সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করার জন্য অনুরোধ করেন। জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, লক্ষ্মীপুর বলেন, লক্ষীপুর জেলায় বর্তমানে ১৩০৮ মেঃ টন চাল ও ১৩৩২ মেঃ টন গম মজুদ আছে। ও এম এস এর চাল মোট ৩২ জন ডিলারের মাধ্যমে চাল বিক্রী করা হচ্ছে। লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে ১২ জন সহ প্রতি উপজেলাতে ৫ জন করে ডিলারের মাধ্যমে চাল বিক্রী করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত লক্ষীপুর সদর উপজেলায় ৭৪৬.৬৪০ মেঃ টন, রায়পুর উপজেলায় ৩০৬.০০০ মেঃটন,রামগঞ্জ উপজেলায় ২৭০.৭৬০ মেঃটন,রামগতি উপজেলায় ২৯৩.৭৬০ মেঃ টন, কমলনগর উপজেলায় ২৬৬.২২০ মেঃ টন, সর্বমোট ১৮৮২.৯২০ মেঃ টন চাল ও এস এর মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।

ও এম এস এর কাজ সন্তোষজনক। বোরো সংগ্রহ জোরদার করার জন্য সভাপতি জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করেন।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, লক্ষ্মীপুর।

০৪

লক্ষ্মীপুর পৌরসভা

সভাপতি লক্ষ্মীপুর পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত প্রকল্পসমুহের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানোর জন্য মেয়র, লক্ষ্মীপুর পৌরসভাকে অনুরোধ করেন। মেয়র, লক্ষ্মীপুর পৌরসভা বলেন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভা শিশু পার্কের মাটির কাজের টেন্ডার হয়েছে। আগামী দিন থেকে মাটির কাজ শুরু হবে। বিদ্যুৎ সমস্যার কারনে চাহিদা মোতাবেক পানি সরবরাহ করা যায় না। পানি সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য এ সভায় আলাদা বিদ্যুৎ লাইন করার জন্য আহবান করেন। নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর সভায় বলেন, পানি সরবরাহ প্লান্টের জন্য আলাদা বিদ্যুৎ লাইন অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র দেয়া হবে। পৌরসভার সেবার মান বাড়ানোর ব্যাপারে আলোচনা হয। পৌরসভার কর্মচারীদের কাজ মনিটরিং করে তাদের দায়বদ্ধতা জাগ্রত করার ব্যাপারে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

সভাপতি নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর কে সমন্বয় করে পানির প্লান্টে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার জন্য পরামর্শ দেন।

মেয়র, লক্ষ্মীপুর পৌরসভা এবং নির্বাহী প্রকৌশলী, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর।

০৫

জেলা মৎস্য বিভাগ

সভাপতি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, লক্ষ্মীপুরকে জাটকা নিধন প্রতিরোধের বিষয়ে জানানোর জন্য আহবান করেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সভায় বলেন, চাউল বিতরণ অব্যাহত আছে। দাদন ব্যবসায়ীদের তালিকা করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জাটকা নিধন প্রতিরোধের কাজ অব্যাহত আছে। জেলেদের পুর্নবাসন কাজে কমলনগর উপজেলার নাম অর্ন্তভুক্ত করার জন্য মন্ত্রনালয়ে পত্র দেয়া হয়েছে। সকল উপজেলায় জাটকা ধরার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। সারাদেশে ৪ টা অভয় আশ্রম আছে। অভয় আশ্রমের বাহিরের এলাকা থেকে মাছ ধরা হচ্ছে। সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান ,কমলনগর বলেন, তার উপজেলায় তের হাজার মৎসজীবি আছে, চাউল দেয়া হচেছ মাত্র চার হাজার মৎস্যজীবিকে। সকল মৎস্যজীবি চাউল না পাওয়ার কারনে নদীতে মাছ ধরতে যায়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সদর, লক্ষীপুর বলেন , এ ধরনের সংকট সকল উপজেলায় আছে। জাটকা নিধন বাস্তবায়ন করতে হলে এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রামগতি তার এলাকায় মৎসজীবি সমিতির নামে টাকা আদায় বন্ধ করার নিমিত্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সভায় আহবান জানান।

চাল বিতরণে আগে চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের সাথে সভা করতে হবে। টাস্কফোর্সের মিটিং নিয়মিত করতে হবে। অভিযান অব্যহত থাকবে। অবশিষ্ট জেলেদের চাউল বিতরণের আওতায় আনার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র দেয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া হয় এবং বরফকলে পুনঃ সংযোগ দেয়ার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়। কৃষি কাজের ন্যায় জেলেদের কে ২% সুদে ঋণ দেয়া যায় কিনা, এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এতে দাদন ব্যবসা রহিত হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, (সকল)। নির্বাহী প্রকৌশলী , বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা,

জেনারেল ম্যানেজার, লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, লক্ষ্মীপুর।

০৬

জেলা শিক্ষা অফিস,

লক্ষীপুর

সভায় সভাপতি বলেন ইভটিজিং এর বিষয়ে জনগণকে সচেতন করার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসার কে অনুরোধ করেন। জেলা শিক্ষা অফিসার সভায় বলেন, ইভটিজিং এর বিষয়ে সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের পাঠ্যসূচীতে সরকার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী বই ক্রয় করার জন্য প্রত্যেক বিদ্যালয়ে তালিকা প্রেরন করা হয়েছে।

অতিরিক্ত বই ক্রয় করা হলে শাস্তি দেয়া হবে,এ ব্যাপারে পত্র দেয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারকে অনুরোধ করা হলো।

জেলা শিক্ষা অফিসার,

লক্ষীপর।

০৭

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর

নির্বাহী প্রকৌশলী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সভায় বলেন, লোড শেডিং এর ব্যাপারে মাইকিং করা হয়েছে। মসজিদে প্রচার করা হয়েছে। জুমার নামাজের সময় এ ব্যাপারে মুসল্লীদের অবগত করানো হয়েছে। রাত ৮.০০ টার পর মার্কেট বন্ধ করার জন্য সরকারের নির্দেশনা আছে, তা যথাযথ ভাবে পালন করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী মহলকে নিয়ে সভা করা হয়েছে। সোলার বিদ্যুৎ প্লান তৈরি করে দেয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী , এলজিইডি ,লক্ষীপুরকে অনুরোধ করা হয়। নির্বাহী প্রকৌশলী ,বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, লক্ষীপুর সভায় জানান,লক্ষীপুর জেলা শহরে সাড়ে ৫ মেগাওয়াট এর স্থলে আড়াই মেগা ওয়াট হতে ১ মেঘাওয়াট বিদুৎ পেয়ে থাকে। লোডশেডিং এর একটা তালিকা করেছেন, কিন্তু এর সিডিউল মানা যাচ্ছে না । রাত ৮.০০ টার পর দোকান বন্ধের ব্যাপারে মাইকিং করা হচ্ছে এবং এ ব্যাপারে বণিক সমিতিকে অবহিত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সভাপতি বলেন, মসজিদে প্রচারসহ দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধের ব্যাপারে জনগণকে আগাম জানাতে হবে। বিশেষ করে মাইকিং করে জনগণকে বিশেষ পরিস্থিতি সর্ম্পকে অবহিত করতে হবে। বিদ্যুৎ অফিসে দায়িত্ব পালন কারীর পুর্ণাঙ্গ ঠিকানাসহ মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। লোড শেডিং এর সুষম বন্টন করার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী,বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর এবং জিএম ,লক্ষীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে অনুরোধ করা হয় । উক্ত সভায় সভাপতি উপজেলা রাজস্ব খাত থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গণের কার্যালয়ে সোলার প্যানেল স্থাপনের জন্য অনুরোধ করেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সোলার বিদুৎ প্যানেল স্থাপনের প্লান তৈরি করে দেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী ,এলজিইডি, লক্ষীপুরকে অনুরোধ করেন। অন্যান্য অফিসে অনুরুপ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অনুরোধ করেন। নতুন ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোতে সোলার বিদুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগকে অনুরোধ করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,সদর,লক্ষীপুর সভায় বলেন, উপজেলা পরিষদের বাসাগুলোতে যারা বর্তমানে বসবাস করছে, তাদের বিদ্যুৎ বিলের সাথে ১০/১৫ হাজার টাকা করে বকেয়া বিল দেয়া হচ্ছে। ফলে বিল পরিশোধ করতে সমস্যা হচ্ছে।

সভাপতি লোড শেডিং নিয়ন্ত্রণে সকলকে আন্তরিক হওয়ার জন্য আহবান জানান। এ ছাড়া এ অফিসে সোলার বিদুৎ প্যানেল স্থাপনের জন্য প্ল্যান ও এষ্টিমেট তৈরী করে দেওয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী ,এলজিইডি, লক্ষীপুর কে অনুরোধ করেন। সদর উপজেলা পরিষদের বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের ব্যাপারে সূনিদিষ্ট ভাবে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী, পিডিবিকে অনুরোধ করা হলো।

নির্বাহী প্রকৌশলী,বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ,লক্ষীপুর।

 

 

 

০৮

লক্ষীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

সভাপতি ,জি.এম,লক্ষীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি লক্ষীপুর কে বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঠিকমতো না করলে, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়। লোড ম্যানেজমেন্ট যথাযথভাবে করতে হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে জানানো উচিত। লোড ম্যানেজমেন্টের কপি সংশ্লিষ্ট ইউএনও দের দিতে হবে। জি.এম পল্লী বিদুৎ সমিতি এর প্রতিনিধি সভায় বলেন, ২০ মেগাওয়াট এর স্থলে মাত্র ৬ মেগাওয়াট বিদুৎ পাওয়া যায়, ৩ টা পৌরসভাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিদুৎ সরবরাহ করা হয়। ইউএনও কমলনগর লোড ম্যানেজমেন্ট সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য সভায় আহবান জানান। সভায় সভাপতি বলেন, ইউনিয়ন ইনফরমেশন সেন্টারে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করেন এবং সোলার বিদ্যুৎ এর ব্যবস্থা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের অনুরোধ করেন। রামগঞ্জ পৌর চেয়ারম্যান বলেন, গত সভায় তিনি বলেছেন, রামগঞ্জ পৌরসভায় পানি সরবরাহের জন্য যে বিদুৎ পাওয়া যায়, তা দিয়ে স্বল্প সময়ে পানি উত্তোলন করে সরবরাহ করা সম্ভব হয় না। জনস্বার্থে পানির প্লান্টে আলাদা লাইন করার জন্য অনুরোধ করেন।

লোড ম্যানেজমেন্টের কপি সংশ্লিষ্ট সকলকে দেয়ার জন্য সিদ্বান্ত গৃহীত হয়। যত দ্রুত সম্ভব পানি প্লান্টের আলাদা বিদ্যুৎ লাইন নির্মান করে দেয়ার জন্য জি এম, লক্ষীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে অনুরোধ করেন।

জি.এম,পবিস,

লক্ষীপুর।

০৯

পানি উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর।

সভাপতি বলেন নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড,চাঁদপুর। চিঠি পাওয়া স্বত্তেও সভায় উপস্থিত না থাকার কারনে রসুলগঞ্জ বাজারে উচ্ছেদের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়নি। এ ব্যাপারে সভাপতি বলেন, কোন কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকার কারনে যদি কোন জনগুরুত্ব পুর্ন আলোচনা করা না যায়,তবে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বহন করতে হবে। নির্বাহী প্রকৌশলী ,পানি উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর বলেন , তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, চাঁদপুর কে সভায় উপস্থিত থাকার জন্য ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করেছেন। কমলনগর উপজেলাকে রক্ষার ব্যাপারে প্রকল্প প্রস্ত্তত করে মন্ত্রনালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। সভায় ভারপ্রাপ্ত মেয়র , রামগঞ্জ পৌর সভা বলেন, লক্ষীপুর জেলার অনেকগুলো খাল দীর্ঘদিন যাবত সংস্কার করা হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট খাল সংস্কার এর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী ,পানি উন্নয়ন বোর্ডকে অনুরোধ করা হয়।

যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুরকে অনুরোধ করা হয। লক্ষীপুর জেলার অংশের দায়িত্ব নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড,লক্ষীপুর এর নিকট ন্যাস্ত করা হয় এবং সভায় উপস্থিত না থাকার হওয়ার ব্যাপারে ডিও লেটার লেখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

 

১০

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বিভাগ

বিআরডিবি-র কোন কর্মকর্তা সভায় উপস্থিত না থাকার কারনে একটি বাড়ি একটি খামার কর্মসূচীর ব্যাপারে আলোচনা করা যায় নাই। কোন কর্মকর্তা উপস্থিত না থাকার কারনে যদি কোন জনগুরুত্বপুর্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত না গ্রহণ করা যায় তবে তার দায়ভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে বহন করতে হবে।

 

১১

জেলা সমবায় বিভাগ

জাতীয় পর্যায়ে সমবায় পুরুষ্কারের জন্য মনোনীত ব্যক্তিগণের নাম প্রেরণ করা হয়েছে।

 

১২

সড়ক ও জনপথ বিভাগ

নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রতিনিধি সভায় জানান যে, রামগতি সড়কের জন্য ২৬,০০০০০/-(ছাবিবশ লক্ষ) টাকা এবং রামগঞ্জ সড়কের জন্য ১০,০০০০০/-(দশ লক্ষ) টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে, শীঘ্রই কার্যাদেশ দেয়া হবে।

জনস্বার্থে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য অনুরোধ করা হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী ,সড়ক বিভাগ,লক্ষীপুর

১৩

নির্বাহী প্রকৌশলী,

এলজিইডি,

লক্ষীপুর।

নির্বাহী প্রকৌশলী,এলজিইডি, সভায় বলেন, এলজিইডি এর কাজ ব্যাপক এবং তা প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে আছে। বর্তমানে দালালবাজার রামগঞ্জ সড়কের কাজ চলছে, শীঘ্রই কাজ শেষ হবে। এ ছাড়া কমলনগর উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মানের কাজও চলছে। প্রকল্পগুলো দফাওয়ারী পরিদর্শন করার জন্য এবং নতুন সার্ভার ষ্টেশান করার ব্যাপারে পত্র দেয়ার জন্য সভাপতিকে অনুরোধ জানানো হয়।

প্রকল্পের কাজ যথাযথভাবে তদারকি করার জন্য সংশ্লিষ্ট অনুরোধ করা হয।

নির্বাহী প্রকৌশলী,

এলজিইডি ।

১৪

বি এ ডি সি

মেয়র রামগঞ্জ পৌরসভা জানান যে, রামগঞ্জ পৌরসভার অধীনে সোনাপুর মৌজার চিতোষী খালের উপর বি এ ডি সি সেচ বিভাগ কর্তৃক একটি হাইড্রোলিক স্লুইচ গেইট নির্মান করা হয়েছে। যার কাজের মান সন্তোষজনক নয়। এব্যাপারে সহকারী প্রকৌশলী, সেচ বি এ ডি সি লক্ষ্মীপুর জানান যে, ইতিমধ্যে তিনিও সংশ্লিষ্ট সাইট পরিদর্শন করেছেন। সংস্থার সিডিউল মোতাবেক কাজ হয়েছে। সভাপতি মহোদয় উক্ত কাজের ব্যাপারে সভায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

নির্বাহী প্রকৌশলী এল জি ই ডি ও নির্বাহী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন বোর্ড কে নিয়ে স্থাপনাটি সরজমিনে পরিদর্শন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সহকারী প্রকৌশলী, সেচ বি এ ডি সি লক্ষ্মীপুর

১৫

ইসলামিক ফাউন্ডেশন

উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন সভাকে অবহিত করেন যে, ১৪৩১ হিজরী সনের সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্ব গমনের লক্ষ্যে হজ্ব প্যাকেজ ২০১০ ঘোষনা করা হয়েছে। সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্বে গমনের জন্য ২,২৮,৬১৫/- টাকা জমা দিতে হবে। এরমধ্যে বাড়’ীভাড়া বাবদ ৪০,০০০/- টাকা ২০ মে এবং বাকী টাকা ২২ জুন, ২০১০ তারিখের মধ্যে সোনালী/অগ্রণী/ জনতা/রূপালী/পূবালী ও কৃষি ব্যাংকে জমা দিতে হবে।

সরকারী ব্যবস্থাপনায় হজ্বে গমনের জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে অনুরোধ করা হয়।

উপ-পরিচালক ইসলামিক ফাউন্ডেশন, লক্ষ্মীপুর।

বিভিন্ন সরকারী দপ্তরের ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করার নিমিত্ত স্ব-স্ব মন্ত্রালয়ে চাহিদাপত্র প্রেরণ করার জন্য সভাপতি পরামর্শ দেন।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচ তলায় ফ্রন্ট ডেস্ক এর সেবা গ্রহণ করার জন্য এবং নিজ নিজ দপ্তরে এ ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সভাপতি সকলকে পরামর্শ দেন।

পরিশেষে আলোচনা অনুযায়ী কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সকল বিভাগীয় প্রধানকে অনুরোধ জানিয়ে সভাপতি সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

(আবুল বাশার মোঃ জহুরুল ইসলাম)

জেলা প্রশাসক

সভাপতি

জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটি লক্ষ্মীপুর।

এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।

 

স্মারক নং- ০৫.২৯২.০০৬.০০.০২.০২.২০১০. তারিখঃ .০৫.২০১০।

 

অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করা হলোঃ

১। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

২। সচিব, ....................................................................................।

৩। বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম বিভাগ, চট্টগ্রাম।

৪। মহাপরিচালক/চেয়ারম্যান..............................................................।

৫। প্রধান প্রকৌশলী,ৃৃৃৃৃৃৃ . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . . . . . . .

৬। . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . . .. . . . . . . . . . . . . . . ।

(আবুল বাশার মোঃ জহুরুল ইসলাম)

জেলা প্রশাসক

লক্ষ্মীপুর।

ফোন-০৩৮১-৫৪১০।

এই ইমেইল ঠিকানা স্পামবট থেকে রক্ষা করা হচ্ছে।এটি দেখতে হলে আপনাকে JavaScript সক্রিয় করতে হবে।

 

স্মারক নং- ০৫.২৯২.০০৬.০০.০২.০২.২০১০. তারিখঃ .০৫.২০১০।

 

অনুলিপি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রেরণ করা হলোঃ

১। ..............................................................................................।

(মোঃ গোলাম মোস্তফা)

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক)

লক্ষ্মীপুর।

ফোন নং-০৩৮১-৫৫৪২১।

 

 

 

০১০.০৫.২০১০ খ্রিঃ তারিখ বেলা ১০.৩০ ঘটিকায় জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় উপস্থিত কর্মকর্তাগণের স্বাক্ষর (স্বাক্ষরের ক্রমানুসারে)

ক্রঃ নং

নাম

পদবী

স্বাক্ষর

০১

জনাব মোঃ আঃ আজিজ

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০২

জনাব পরিতোষ ঘোষ

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৩

জনাব মোঃ গোলাম মোস্তফা

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৪

জনাব মোঃ খলিলুর রহমান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সদর, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৫

জনাব মোঃ মাসুদ আলম ছিদ্দিক

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৬

জনাব গোপল চন্দ্র দাস

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৭

জনাব কাজী আবু তাহের

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কমলগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৮

জনাব মোঃ দৌলতুজ্জামান খান

উপজেলা নির্বাহী অফিসার, রামগতি, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

০৯

জনাব মোঃ নাছিম খান

নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

১০

জনাব মোঃ আবদুর রশিদ

উপ পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

১১

জনাব আবু মোঃ সাহরিয়ার

নির্বাহী প্রকৌশলী, এল জি ই ডি

স্বাক্ষরিত

১২

জনাব লুৎফুন নেছা

উপ পরিচালক, সমাজসেবা অধিদপ্তর, লক্ষ্মীপুর

স্বাক্ষরিত

১৩

জনাব মোঃ নুরুল হক

সুপার (ভারপ্রাপ্ত), লক্ষ্মীপুর পি টি আই

স্বাক্ষরিত

১৪

জনাব মোঃ সিরাজুল হক

জি এম লক্ষ্মীপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি

স্বাক্ষরিত

১৫

মোঃ রেজ্জাকুল হায়দার

উপ পরিচালক, (চঃদাঃ), ইসলামিক ফাউন্ডেশন, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

১৬

জনাব জিল্লুর রহমান

সহকারী প্রকৌশলী, বি টি সি এল, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

১৭

জনাব এ কে এম গোলাম সারওয়ার ভুইয়া

জেলা সমবায় কর্মকর্তা

স্বাক্ষরিত

১৮

জনাব কাউছারুআহমেদ

জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, লক্ষ্মীপুর

স্বাক্ষরিত

১৯

জনাব জেবুন্নেছা

জেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার, চাঁদপুর

স্বাক্ষরিত

২০

জনাব আবদুল জলিল মিয়া

জেলা শিক্ষা অফিসার,লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

২১

জনাব এ বি এম মাসুদুল আলম

উপপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা

স্বাক্ষরিত

২২

জনাব মোঃ আবদুল লতিফ মজুমদার

সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার

স্বাক্ষরিত

২৩

জনাব মোঃ ওয়ালিউল ইসলাম চৌধুরী

সহকার প্রকৌশলী, বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিঃ।

স্বাক্ষরিত

২৪

জনাব মোঃ আবুল খায়ের

উপ সহকারী প্রকৌশলী, স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

স্বাক্ষরিত

২৫

জনাব এ কে এম ছিদ্দিক

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

২৬

জনাব মোঃ আমির আলী

উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর

স্বাক্ষরিত

২৭

জনাব মোঃ আবদুল লতিফ

উপ-ব্যবস্থাপক, বিসিক

স্বাক্ষরিত

২৮

জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম

নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

২৯

জনাব ডাঃ মোঃ আবুল কালাম

জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা

স্বাক্ষরিত

৩০

জনাব মোঃ হানিফ পাটওয়ারী

মেয়র (ভারপ্রাপ্ত), রামগঞ্জ পৌরসভা, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৩১

জনাব সাহাবুদ্দিন সাবু

মেয়র, লক্ষ্মীপুর পৌরসভা, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৩২

জনাব মোঃ মিজানুর রহমান

উপাধ্যক্ষ, রামগঞ্জ সরকারী কলেজ, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৩৩

জনাব মোঃ নুরুল আলম

নির্বাহী প্রকৌশলী, বিউবো, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৩৪

জনাব মাহমুদ কবীর চৌধুর

নির্বাহী প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর

স্বাক্ষরিত

৩৫

জনাব আবুল বারাকাত দুলাল

চেয়ারম্যান, কমলনগর উপজেলা পরিষদ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৩৬

জনাব সফিকুল আমিন খান

উপাধ্যক্ষ, লক্ষ্মীপুর সরকারী মহিলা কলেজ

স্বাক্ষরিত

৩৭

জনাব এ জেড এম হাছানুর রহমান

সহকারী বন সংরক্ষক, বন বিভাগ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৩৮

জনাব এ কে এম দেলোয়ার হোসেন

সহকারী প্রকৌশলী, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর

স্বাক্ষরিত

৩৯

জনাব দেলওয়ার হোসেন

উপাধ্যক্ষ, লক্ষ্মীপুর সরকারী কলেজ, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৪০

জনাব মোঃ আবুল খায়ের মজুমদার

সহকারী প্রকৌশলী, (ক্ষুদ্র সেচ) বি এ ডি সি

স্বাক্ষরিত

৪১

জনাব মোঃ এনামুল হক

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক

স্বাক্ষরিত

৪২

জনাব এ কে এম সামছুল আলম

এস পি ও বিকেবি, মূখ্য আঞ্চলিক কার্যালয়, লক্ষ্মীপুর

স্বাক্ষরিত

৪৩

জনাব ডাঃ মোঃ জাকির হোসেন

মেডিকেল অফিসার, সিভিল সার্জনের পক্ষে

স্বাক্ষরিত

৪৪

জনাব শান্তি রঞ্জণ বৈদ্য

জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

৪৫

জনাব এ এস এম আজিম উদ্দিন

জেলা কমান্ড্যান্ট, আনসার ভিডিপি অধিনায়ক, ৩৪ আনসার ব্যাটিলিয়ন

স্বাক্ষরিত

৪৬

জনাব মোঃ আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ

সহকারী কমিশনার, লক্ষ্মীপুর।

স্বাক্ষরিত

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 



  


খবর ও বিজ্ঞপ্তি

জেলা সম্পর্কিত
আমাদের সাথে আছে 2 অতিথি অনলাইন
right_menu_footer